রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইজিবাইক-অটোভ্যান-বাসের দখলে চৌরঙ্গী মোড়, যানজটে নাকাল মুকসুদপুরবাসী গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যাণসভা ও মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত চুরি প্রতিরোধে নীলফামারীতে জুয়েলার্স ও মোবাইল শো-রুম মালিকদের সঙ্গে পুলিশের মতবিনিময় খাসজমি দখল ও ক্ষমতার অপব্যবহার: ইউপি চেয়ারম্যান ‘গ্রেনেট বাবু’ চূড়ান্তভাবে অপসারিত মুকসুদপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার আসামের চাবুয়ায় ৩ বছরের সন্তানের মাকে ধর্ষণ করে হত্যা, ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার অভিযুক্ত  ঐক্যবদ্ধ থেকে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ কাশিয়ানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নছিমন চালকের মৃত্যু মুকসুদপুর হাসপাতালের নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দাবি

  • Update Time : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১.০৩ পিএম
  • ২২৬ Time View
মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দাবি
মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দাবি
306

নিজস্ব প্রতিনিধি: আজকের জাগরণ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ১নং ট্যাংরাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আসমা খাতুনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি, আয়ার বিল ও রেজাল্ট কার্ডের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মুকসুদপুর উপজেলায় মোট ১৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও অন্য কোনো বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি বা আয়ার বিল নেওয়া হয়নি। অথচ ১নং ট্যাংরাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ জনপ্রতি ৫০ টাকা এবং আয়ার বিল বাবদ জনপ্রতি ৩৬০ টাকা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়াও পরীক্ষার খাতা বিদ্যালয় থেকে সরবরাহ না করে শিক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে খাতা নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। যেখানে উপজেলার অন্যান্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা স্কুল থেকেই সরবরাহ করা হয়।

আরও জানা যায়, রেজাল্ট কার্ডের কথা বলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের দাবি, সরকারিভাবে রেজাল্ট কার্ড প্রস্তুতের জন্য বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও এভাবে টাকা আদায় সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি রেজাল্ট কার্ড প্রস্তুত করতে আনুমানিক ১০ টাকার মতো খরচ হয়।
এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2024