
নিজস্ব প্রতিনিধি: আজকের জাগরণ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ১নং ট্যাংরাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আসমা খাতুনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি, আয়ার বিল ও রেজাল্ট কার্ডের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মুকসুদপুর উপজেলায় মোট ১৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও অন্য কোনো বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি বা আয়ার বিল নেওয়া হয়নি। অথচ ১নং ট্যাংরাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ জনপ্রতি ৫০ টাকা এবং আয়ার বিল বাবদ জনপ্রতি ৩৬০ টাকা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়াও পরীক্ষার খাতা বিদ্যালয় থেকে সরবরাহ না করে শিক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে খাতা নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। যেখানে উপজেলার অন্যান্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা স্কুল থেকেই সরবরাহ করা হয়।
আরও জানা যায়, রেজাল্ট কার্ডের কথা বলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের দাবি, সরকারিভাবে রেজাল্ট কার্ড প্রস্তুতের জন্য বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও এভাবে টাকা আদায় সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি রেজাল্ট কার্ড প্রস্তুত করতে আনুমানিক ১০ টাকার মতো খরচ হয়।
এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।