মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উত্তর ২৪ পরগনার নিমতায় ৮ বাংলাদেশি গ্রেফতার  মুকসুদপুরে জমি দলিলের দাগ ভুলকে কেন্দ্র করে জাল দলিল ও প্রতারণার অভিযোগ, আদালতে দলিল সংশোধনের মামলা দায়ের মুকসুদপুরে ভূমি মেলা ২০২৬ উপলক্ষে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত দীর্ঘদিন পর মুকসুদপুরে নতুন সহকারী কমিশনার (ভূমি) যোগদান, জনমনে স্বস্তি মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দাবি আগরতলায় আইফোনের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, মোবাইল ব্যবসায়ী গ্রেফতার  জন্মহার নিম্নমুখী প্রবণতা ঠেকাতে নয়া পরিকল্পনা অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের পেট্রোল ঢেলে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা, ৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে প্রাণ হারালেন বীথি টুঙ্গিপাড়ায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় নারী নিহত, আহত ১ চাঁদাবাজি ও জমি দখলে বেপরোয়া জলদস্যু বাছেদ শিকদার

মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দাবি

  • Update Time : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১.০৩ পিএম
  • ৫৫ Time View
মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দাবি
মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দাবি
60

নিজস্ব প্রতিনিধি: আজকের জাগরণ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ১নং ট্যাংরাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আসমা খাতুনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি, আয়ার বিল ও রেজাল্ট কার্ডের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মুকসুদপুর উপজেলায় মোট ১৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও অন্য কোনো বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি বা আয়ার বিল নেওয়া হয়নি। অথচ ১নং ট্যাংরাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ জনপ্রতি ৫০ টাকা এবং আয়ার বিল বাবদ জনপ্রতি ৩৬০ টাকা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়াও পরীক্ষার খাতা বিদ্যালয় থেকে সরবরাহ না করে শিক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে খাতা নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। যেখানে উপজেলার অন্যান্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা স্কুল থেকেই সরবরাহ করা হয়।

আরও জানা যায়, রেজাল্ট কার্ডের কথা বলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের দাবি, সরকারিভাবে রেজাল্ট কার্ড প্রস্তুতের জন্য বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও এভাবে টাকা আদায় সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি রেজাল্ট কার্ড প্রস্তুত করতে আনুমানিক ১০ টাকার মতো খরচ হয়।
এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2024