সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জে পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সদর কোর্ট ও টুঙ্গিপাড়া থানা পরিদর্শনে অ্যাডিশনাল ডিআইজি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের মনগড়া কমিটির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি তৃণমূলকে সুসংগঠিত করতে খান্দারপাড়ায় বিএনপির কর্মী সমাবেশ, উন্নয়নে একাধিক আশ্বাস এমপি সেলিমুজ্জামানের হাজারো পাখির কিচিরমিচিরে জেগে ওঠে নীলফামারীর ‘পাখির গ্রাম’ নিজের অর্থ-শ্রমে মানুষের পাশে, গোপালগঞ্জের ‘মানবিক তপন ঘোষ’ মুকসুদপুর এসজে মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: এলজিআরডি মন্ত্রী চায়না জালের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, মুকসুদপুরের খান্দারপাড়ায় ১৭টি জাল উদ্ধার ও ধ্বংস মুকসুদপুরের গোবিন্দপুরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারি মুকসুদপুর কলেজে অভিভাবক সমাবেশ

মুকসুদপুরে জমি দলিলের দাগ ভুলকে কেন্দ্র করে জাল দলিল ও প্রতারণার অভিযোগ, আদালতে দলিল সংশোধনের মামলা দায়ের

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১.৩৩ এএম
  • ২৩৬ Time View
মুকসুদপুরে জমি দলিলের দাগ ভুলকে কেন্দ্র করে জাল দলিল ও প্রতারণার অভিযোগ, আদালতে দলিল সংশোধনের মামলা দায়ের
মুকসুদপুরে জমি দলিলের দাগ ভুলকে কেন্দ্র করে জাল দলিল ও প্রতারণার অভিযোগ, আদালতে দলিল সংশোধনের মামলা দায়ের
332

মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা এর বহুগ্রাম ইউনিয়ন-এর অন্তর্গত দুর্বাসুর গ্রাম এলাকায় জমি দলিলের দাগ নম্বর সংক্রান্ত ভুলকে কেন্দ্র করে জাল দলিল তৈরি ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালে প্রভাষ মণ্ডল, পিতা: মৃত গুরুবর মণ্ডল, তার ভাই ফেলান চন্দ্র মণ্ডলের নিকট একটি জমি দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে হস্তান্তর করেন। উক্ত দলিলের দলিল নম্বর ছিল ২৩৩৮/০৪। দলিল সম্পাদনের সময় ৩৬ নং দুর্বাসুর মৌজার ৪১০ নং খতিয়ানের অধীন আরএস দাগ ১১৫ এবং বিআরএস দাগ ১৭০-এর পরিবর্তে ভুলবশত ১৭৫ দাগ উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে জানা যায়, খতিয়ানে ১৭৫ নম্বর দাগটি বাস্তবে বিদ্যমান নয়।

এই দীর্ঘদিনের দলিলগত ভুল ও রেকর্ড অসঙ্গতিকে কাজে লাগিয়ে একই এলাকার গণেশ মণ্ডল (অভিযোগ অনুযায়ী) একটি জাল দলিল তৈরি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, তিনি ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই জমি পুনরায় অন্য এক ব্যক্তির নিকট বিক্রয় করেন এবং এ প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত অর্থ আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রভাষ মণ্ডল ও তার পরিবারের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও বিরোধের সৃষ্টি হয়। একই জমি ও দাগ সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

পরবর্তীতে জমির দাগ সংশোধন এবং জালিয়াতির মাধ্যমে সংঘটিত প্রতারণার প্রতিকার চেয়ে প্রভাষ মণ্ডল বিজ্ঞ সিভিল জজ আদালতে দলিল সংশোধনের জন্য মামলা দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।

তিনি দাবি করেছেন, দলিলের ভুল সংশোধনের পাশাপাশি জাল দলিল তৈরি ও অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, জমি রেকর্ড ও দলিল যাচাই-বাছাই আরও কঠোরভাবে করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের জালিয়াতি ও বিভ্রান্তি এড়ানো যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2024