
সমিতিরহাট প্রতিনিধি
সমিতিরহাট ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন রফিক সিকদার সান্টু। পারিবারিক ঐতিহ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে রেখে তাঁকে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে। শিক্ষার মানোন্নয়ন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
রফিক সিকদার সান্টু মরহুম আরফর রহমান সিকদারের ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সমিতিরহাট এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সহায়তা, মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণসহ বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে তাঁর বাবা ও দাদার অবদান রয়েছে বলে জানান তাঁরা।
স্থানীয় মহলের মতে, পরিবারের এই সামাজিক ঐতিহ্য ধরে রেখে এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যাশা থেকেই রফিক সিকদার সান্টুর সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তাঁদের প্রত্যাশা, জনপ্রতিনিধিত্বের সুযোগ পেলে তিনি শিক্ষা, যোগাযোগব্যবস্থা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখবেন।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রসঙ্গে রফিক সিকদার সান্টু বলেন, জনপ্রতিনিধি হওয়া তাঁর কাছে কেবল একটি পদ অর্জনের বিষয় নয়; বরং পরিবারের দীর্ঘদিনের সামাজিক ঐতিহ্য ও বাবা-দাদার আদর্শ অনুসরণ করে মানুষের সেবা করার সুযোগ।
তিনি বলেন, “আমি শুধু চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য নয়, আমার পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবং আমার বাবার আদর্শ পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাই। আমি জনগণের সেবক হতে চাই, মানুষের পাশে থাকতে চাই এবং তাঁদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”
নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সমিতিরহাট ইউনিয়নের শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান। নতুন প্রজন্মের জন্য মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগ নেওয়াকে তিনি এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখেন।
এ ছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রণ, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, রাস্তাঘাট সংস্কার ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেও কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে সাধারণ মানুষের সমস্যা ও চাহিদা চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান।
রফিক সিকদার সান্টুর ভাষ্য, তাঁর পরিবার মানুষের কল্যাণে কাজ করাকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। সেই আদর্শ অনুসরণ করে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান তিনি। পাশাপাশি এলাকার মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধান এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা তাঁর।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সমিতিরহাট ইউনিয়নের উন্নয়নে শিক্ষা, যোগাযোগব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা ও মাদক নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। তবে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ, জনসম্পৃক্ততা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
বাবা-দাদার সামাজিক ঐতিহ্য ও আদর্শ অনুসরণ করে আগামী প্রজন্মের জন্য উন্নত সমিতিরহাট গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিক সিকদার সান্টু। তাঁর ঘোষিত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হয় কি না, তা নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট উদ্যোগের ওপর।