বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন

ই-রিকশা নিবন্ধনে নতুন নিয়ম, প্রথম ধাপে অনুমোদন পাবে সর্বোচ্চ ২ হাজার

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮.১৭ এএম
  • ১২ Time View
24

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রথম পর্যায়ে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ২ হাজার ই-রিকশাকে নিবন্ধনের অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। তবে শুধু আবেদন করলেই নিবন্ধন পাওয়া যাবে না। ই-রিকশার নকশা ও কারিগরি বিষয় পরীক্ষা করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদন নিতে হবে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত নিবন্ধনের আবেদন ফরম বিক্রি করে ডিএসসিসি। সংস্থাটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিন মোট ১ হাজার ফরম বিক্রি হয়েছে। এ সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিয়ে ১০০ টাকা ফি পরিশোধের মাধ্যমে ফরম সংগ্রহ করেন রিকশার মালিক ও চালকেরা। তবে যাঁদের একটি রিকশা রয়েছে, তাঁরাই শুধু ফরম সংগ্রহ করতে পেরেছেন।

বুয়েটের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রথম পর্যায়ে ৫০০ থেকে ১ হাজার কিংবা সর্বোচ্চ ২ হাজার ই-রিকশাকে নিবন্ধনের অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।

নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ই-রিকশাকে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী প্রস্তুত করতে হবে। এরপর বুয়েটের অনুমোদন বা ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে। কারিগরি অনুমোদনের পর স্থানীয় সরকার বিভাগ জারিকৃত ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’-এর শর্ত পূরণ করে সিটি করপোরেশনে আবেদন জমা দিতে হবে। এরপর শুরু হবে নিবন্ধনের পরবর্তী কার্যক্রম।

নিবন্ধনের আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পাশাপাশি আবেদনপত্রের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সত্যায়িত অনুলিপি, সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি, ফি জমার মূল রসিদ এবং নির্ধারিত ফরমে ফিটনেস সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।

এদিকে ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকাকে চারটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জোনে কতটি ই-রিকশা চলতে পারবে, তা নির্ধারণ করা হবে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার সিটি করপোরেশন ও বাংলাদেশ পুলিশের যৌথ সভায় জোনের সীমানা এবং এলাকাভিত্তিক ই-রিকশার সম্ভাব্য সংখ্যা চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।

নির্ধারিত মডেল অনুযায়ী ই-রিকশা তৈরি ও মেরামতের জন্য নির্দিষ্ট ওয়ার্কশপ ঠিক করে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ বিদ্যুৎ-সংযোগের মাধ্যমে ব্যাটারি চার্জ বন্ধ করতে ওয়ার্ড বা থানা পর্যায়ে নির্ধারিত চার্জিং স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নতুন নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার মাধ্যমে রাজধানীতে ই-রিকশার চলাচল আরও সুশৃঙ্খল করার পরিকল্পনা করছে ডিএসসিসি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2026