
মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি: আজকের জাগরণ
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা উপজেলার নিশাতলা এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে “রাজ দরবার হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট”-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বিকাল ৪টায় আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অ্যাডেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আজম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ড্রিমওয়ে গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ মিজানুর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড্রিমওয়ে গ্রুপের ডিরেক্টর আবু সুফিয়ান, ড্রিমওয়ে গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল হাই, মুকসুদপুর প্রেসক্লাব এর সভাপতি মোঃ ছিরু মিয়া, দিগনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম লিটু এবং করোনা ফ্যাশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কাজী আবু বক্কার।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন “রাজ দরবার হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট”-এর স্বত্বাধিকারী আবুল কাশেম রাজ। তিনি বলেন, মহাসড়ক ব্যবহারকারী যাত্রী ও সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত, মানসম্মত ও উন্নত সেবা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর প্রেসক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক কাজী মোঃ ওহিদুল ইসলাম, সরকারি মুকসুদপুর কলেজের সাবেক জিএস মিজানুর রহমান মন্টু মৃধা, বিএনপি নেতা এ্যাডভোকেট আসলাম মুন্সী, কাশালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অশোক মৃধা এবং খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ,প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ ইমারত শেখ ,মোঃ ইনামুল মল্লিক, মোঃ রাসেল মুন্সীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আজম অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে কেক কেটে রেস্টুরেন্টটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে দেশ, জাতি ও এলাকার সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা রেস্টুরেন্টটির পরিবেশ ও সেবার মান পরিদর্শন করেন এবং এর সাফল্য কামনা করেন।
নতুন এই হাইওয়ে রেস্টুরেন্টটি ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যাত্রীদের জন্য মানসম্মত খাবার ও বিশ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।