
ঢাকায় স্যানিটেশন খাতে তথ্য ব্যবস্থাপনা ও ডাটা গভর্নেন্স জোরদারে এক গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহযোগিতা করে গেটস ফাউন্ডেশন এবং থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গ্লোবাল ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশন সেন্টার।
‘স্ট্রেংথেনিং অব পাবলিক ডাটা সিস্টেমস ফর স্যানিটেশন ইন বাংলাদেশ’ কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত “ওয়ার্কশপ অন আইডেন্টিফাইং ফোকাসড এরিয়াস অব ডাটা গভর্নেন্স ফ্রেমওয়ার্ক” শীর্ষক এ কর্মশালা আজ ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, ইতোমধ্যে ডাটা ম্যানেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক, মেটাডাটা চূড়ান্তকরণ এবং ন্যাশনাল ডাটা কোর রেজিস্ট্রি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় এখন ‘স্যানিটেশন ডাটা গভর্নেন্স ফ্রেমওয়ার্ক’ প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো স্যানিটেশন খাতের তথ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তথ্যের সামঞ্জস্য বজায় রাখা।
কর্মশালায় স্যানিটেশন-সংশ্লিষ্ট ২২টি সরকারি সংস্থা, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা তাঁদের অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে স্যানিটেশন খাতের ডাটা গভর্নেন্সের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ আব্দুর রফিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পরিকল্পনা) এহতেশামুল রাসেল খান। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার শামসুল ইসলাম।
কর্মশালার কারিগরি অধিবেশন ও ডাটা গভর্নেন্স বিষয়ক উপস্থাপনা পরিচালনা করেন এটুআই-এর ডাটা ও রিসার্চ ক্লাস্টার হেড মোঃ আনোয়ারুল আরিফ খান। অধিবেশন পরিচালনায় সহযোগিতা করেন গ্লোবাল ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশন সেন্টারের প্রকল্প সমন্বয়ক মো. আহরার হাসান। এ সময় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও এটুআই-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।