শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: বজ্রপাতে নিহত ১, আহত অন্তত ৯, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি গোপালগঞ্জে তীব্র লোডশেডিং: গরমে বাড়ছে ভোগান্তি, কৃষি ও ব্যবসায় প্রভাব মুকসুদপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন গোপালগঞ্জজুড়ে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট, জনজীবনে চরম দুর্ভোগ গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের আয়োজনে বর্ণিল নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন রেলপথে নতুন অধ্যায়: মুকসুদপুরে থামলো রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস মুকসুদপুর রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি: জনমনে ব্যাপক উৎসাহ সংরক্ষিত নারী আসনে যোগ্যদের প্রাধান্য দেবে বিএনপি: রিজভী কাশিয়ানীতে জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০—একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক মুকসুদপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি গঠন

চট্টগ্রামে দুই ছাত্র দলনেতাকে মৃত ভেবে নদীতে ফেলে দেওয়ায় মামলা

  • Update Time : শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৪.০৩ পিএম
  • ২৩৮ Time View
164

চট্টগ্রামের রাউজানে দুই ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে মারধরের পর মৃত ভেবে নদীর চরে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে বিএনপির এক নেতার ১৬ জন অনুসারীর বিরুদ্ধে। আজ শনিবার ভোরে রাউজান থানায় অপহরণ, চাঁদা দাবি ও হত্যাচেষ্টার এ মামলা করা হয়। মামলার বাদী হামলার শিকার উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব জয়নাল আবেদীনের বাবা মুহাম্মদ শওকত আলী।

মামলার এজাহারে শওকত আলী বলেন, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর ছেলে মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন (৩২) ও নোয়াপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন (৩০) স্থানীয় ইউপি কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে হঠাৎ ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল এসে দুজনকে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। ওখান থেকে চৌধুরীঘাট কূলে নিয়ে দুজনকে হকিস্টিক, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করা হয়। তারা মারা গেছে ভেবে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে কচুখাইন গ্রামের কর্ণফুলী ও হালদা নদীর মোহনায় থাকা মাঝের চরে হাত, পা ও মুখ বেঁধে ফেলে দিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তাঁর ছেলেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর মুক্তিপণ চেয়েছিল সন্ত্রাসীরা।

আহত জয়নালের বাড়ি নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নিরামিশপাড়া এবং সাজ্জাদের বাড়ি কচুখাইন গ্রামে। তাঁরা দুজন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক কারণে তাঁদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করছেন বিএনপির নেতারা। দুজনই এখনো চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মামলার আসামিরা হলেন—মুহাম্মদ হাবিব (৪৭), শাহ আলম (৩৫), মুহাম্মদ লোকমান (৪৩), আব্দুর রশিদ (৪৭), মুহাম্মদ জাহেদ (২৫), জানে আলম (৩৮), মুহাম্মদ সোহেল (৩৫), কামরুল হাসান (৫৮), মুহাম্মদ রাজু (২৮), পাভেল (২৪) সহ ১৬ জন। আসামিদের সবাই কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তবে তাঁদের দলীয় বা অঙ্গ সংগঠনের কোনো পদ পদবি নেই। এদিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী দাবি করেছেন হামলা, সংঘর্ষে তাঁর কোনো কর্মী বা অনুসারী জড়িত নন। মামলার আসামিরাও ওই ঘটনায় দায়ী নয়।

এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে ১৬ জনকে আসামি করেছেন মামলার বাদী। আসামিদের গ্রেপ্তারে ঘটনার দিন থেকেই কাজ করছে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এ পর্যন্ত নোয়াপাড়া ইউনিয়নে অন্তত পাঁচবার হামলা ও গুলিবিদ্ধের ঘটনা ঘটে বিএনপির দুই পক্ষ কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম আকবর খোন্দকারের অনুসারীদের মধ্যে। সর্বশেষ ছাত্রদলের দুই নেতার ওপর হামলার ঘটনাও দুপক্ষের বিরোধের জেরে ঘটেছে বলে উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীদের দাবি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2024