শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আলমডাঙ্গায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল: খেলাধুলায় গড়ছে মাদকমুক্ত প্রজন্ম আলমডাঙ্গায় হজ্জযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় ডেল্টা লাইফে অনিয়মের অভিযোগ: গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কর্মী, দিশেহারা ভুক্তভোগীরা চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে শিশুর গলার স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের চেষ্টা, আটক ১ ঢাবির টিএসসিতে চুয়াডাঙ্গার শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা প্রচণ্ড গরমে ভোটের লাইনে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ৪ জনের মৃত্যু মহারাষ্ট্রে বিয়ে বাড়ির ফেরত গাড়িতে বেপরোয়া ট্রাকের ধাক্কায় মৃত ৫ গোপালগঞ্জে আইজিপির আগমন ঘিরে উচ্ছ্বাস, আইন-শৃঙ্খলা সভায় মিলল দিকনির্দেশনা গোপালগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের তৃতীয় দিনের পরীক্ষা সম্পন্ন ফরিদপুরে ‘সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক উন্নয়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অবশেষে সেমাই-চিনি-চালে ফরিদার ঈদ উদযাপন

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ১.৪৮ পিএম
  • ৫১৩ Time View
169

অন্যের দেয়া সেমাই চিনি চালে ফরিদার ঈদ উদযাপন। নিজের সামর্থ্য না থাকায় পরিবারের জন্য সেমাই চিনি কিনতে পারেনি। তবে মমিনুরের ভাই ও মায়ের দেয়া চালে ঈদ পালন করেছে ফরিদা বেগম। ঈদ আনন্দ নেই ফরিদার সংসারে এই শিরোনামে গত ৩০ মার্চ ইত্তেফাক অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন অনেকে। 

গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাব ফরিদার পরিবারের  সেমাই, চিনি, বাচ্চাদের জন্য জামা ও ফরিদার একটি শাড়ী প্রদান করে। জামায়াতে ইসলামী গঙ্গাচড়া শাখা মমিনুর ও ফরিদার পরিবারে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। তাছাড়া তাদের আর্থিক সহায়তা করেছেন কেউ কেউ।

উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের তিস্তা তীরবর্তী গাউছিয়া বাজার এলাকার মমিনুর ইসলামের সঙ্গী ফরিদা বেগম। স্বামী মমিনুর দিনমজুর। একদিন কাজ পান তো তিনদিন বসে থাকতে হয়। সব সময় কাজ হয়না। তাছাড়া গ্রামে লোকজনের অবস্থা খুব খারাপ।

ফরিদার সংসারে ২ ছেলে। মোবাশ্বের (৪) ও রহমতঊল্লাহ(২)। বাড়িতে নড়বড়ে ১০ হাতের একটি চালাই সম্বল। বৃষ্টি হলে পানি পড়ে। রান্নার কাজ করেন বাহিরে খোলা আকাশের নীচেই। ঘরে ভাঙ্গা একটা চৌকি। তাও নড়বড়ে। ছেড়া কেতা বালিশ। ঘরে মানুষ ঘোরার মত জায়গা নেই।

বাচ্চাদের জন্য ঈদের নতুন জামা কিনছেন কিনা এর জবাবে ফরিদা বেগম বলেন, হামরা খাবারে পাই না । জামা কোনটে পাই।

সেমাই চিনি কিনছেন কিনা জবাবে বলেন, আল্লা দিলে খামো নয়তো নয়। স্থানীয় লোকজন বলেন, খুব কষ্টে চলে ওদের সংসার।

সরেজমিনে ফরিদার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সীমাহীন কষ্ট ফরিদার। ঘরে রান্না করার মত নুন নেই,  তেল নেই, নেই মরিচ।

ফরিদা বলেন, ঈদের দিন শাশুড়ি দিয়েছে চাল, মমিনুরের এক ভাই দিয়েছে বাচ্চার জন্য একটা জামা। সেমাই চিনি দিয়েছেন আরেক ভাই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2024