শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, একটিতে জরিমানা-অন্যটি সিলগাল টেকনাফে ডাকাতের গুলিতে সেনাসদস্য আহত, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অভিযানে ৫৪ জন উদ্ধার, আটক ২ মানব পাচারকারী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ভার্চুয়ালি মদনে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ ক্রীড়া উৎসবের শুভ উদ্বোধন ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ায় গোপালগঞ্জ সরকারি স্কুলের ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি নওগাঁয় দুর্নীতির অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত ফুলবাড়ীতে দোকানে মিলল ১০১ পিস ইয়াবা, গ্রেপ্তার জাসাস নেতা মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুরে আহমেদ প্লাইউড কারখানা ঘিরে উত্তেজনা, কাস্টমসের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ নেতানিয়াহুকে চাপে ফেলে আইজেনকোটের পক্ষে ৬৭ আইনপ্রণেতা নানা আয়োজনে দৈনিক বরেন্দ্রকণ্ঠের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন

যশোরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, একটিতে জরিমানা-অন্যটি সিলগাল

  • Update Time : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১২.২৭ এএম
  • ২২ Time View
34

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:-

যশোরে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিযানে ইউনানী চিকিৎসক দিয়ে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়ায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অপর একটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে অবস্থিত বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন যশোরের সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীম বিনতে মুস্তাফিজ। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানায়, বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে হাসপাতালের সামনে অবস্থিত প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানিটিতে মতিয়ার রহমান নামের এক ব্যক্তিকে রোগী দেখতে পান ভ্রাম্যমাণ আদালত। কিন্তু তিনি এমবিবিএস ডিগ্রিধারী কোনো চিকিৎসক নন, বরং একজন ইউনানী চিকিৎসক। অথচ তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিকসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ লিখে আসছেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সেলিম হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, একই এলাকার ইসলামী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। সেখানে হাবিবুর রহমান নামের একজন ডিএমএফ চিকিৎসক রোগী দেখছিলেন। অনিয়ম ও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেন।

এ বিষয়ে যশোরের সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা জানান, স্বাস্থ্য বিভাগে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবৈধ কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেললে এবং অপচিকিৎসা রোধে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2026