বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জে জাতীয় ফল মেলা ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন কিশোরগঞ্জে ৪৪ লাখ টাকার ৬৮০টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগ নেতা বালা মিয়ার দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেলেন শতাধিক মানুষ, মুকসুদপুরে ওয়ালটনের মেডিকেল ক্যাম্প গোপালগঞ্জে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন, এসডিজি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান কলাপাড়ায় তারকেশ্বরে জল ঢালতে যাওয়ার পথে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, নিহত ২ পুণ্যার্থী মুকসুদপুরে ৩৯ হাজারের বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি কাজে যাওয়ার পথে ফুলবাড়ি এলাকায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, নিহত ২ যুবক উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঝলসে নিহত অন্তত ১৫

কিশোরগঞ্জে ৪৪ লাখ টাকার ৬৮০টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার

  • Update Time : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৮.৩৩ পিএম
  • ৮ Time View
10

আরিফুল ইসলাম আরিফ: নীলফামারী প্রতিনিধি:

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় মৎস্য বিভাগের অভিযানে একটি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। অভিযান চালিয়ে ৬৮০টি চায়না দুয়ারী জাল, ৪টি জাল তৈরির মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪৪ লাখ টাকা। এ ঘটনায় এক সহযোগীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে কারখানার মালিক পলাতক রয়েছেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আব্দুস সালাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে কিশোরগঞ্জ উপজেলার মধ্য রাজিব সয়ারকাজী গ্রামের একটি বাড়িতে অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল তৈরি করা হচ্ছে এবং সেখান থেকে রংপুর অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় এসব জাল সরবরাহ করা হচ্ছে। তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কারখানাটির সন্ধান পাওয়া যায়।
অভিযানে প্রতিটি ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের মোট ৬৮০টি চায়না দুয়ারী জাল, ৪টি জাল তৈরির মেশিন এবং অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে জাল তৈরির তিনটি ডায়াস ভেঙে ফেলা হয়। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৪ লাখ টাকা।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে মধ্য রাজিব সয়ারকাজী গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে দুলুকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ৮০টি জাল তাৎক্ষণিকভাবে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
এ ঘটনার পর থেকে কারখানার মালিক একই গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে খলিল এবং তার সহযোগী জলিল পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অভিযানকালে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুণ কুমার মণ্ডল, কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লুৎফর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কিশোরগঞ্জ থানার ওসি লুৎফর রহমান দৈনিক আজকের জাগরণ-কে জানান, জব্দকৃত জাল থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, “দেশীয় মাছের প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধ জাল তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশীয় মাছ সংরক্ষণে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2024