শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রকেট কাস্টমার কেয়ার নাম্বার কত? ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন আপনার কন্যাসন্তানের জন্য প দিয়ে যেসব সুন্দর নাম রাখতে পারেন গোপালগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত ১০ আসামি গ্রেপ্তার ষড়যন্ত্রকারীদের বিষদাঁত ভেঙে দিতে ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বছরের প্রথম দিনেই নতুন বই, শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারের লক্ষ্য কী? মোটরসাইকেলসহ চালকদের জন্য বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা গ্রাম পুলিশের বেতন, অবসর ভাতা ও যাতায়াত ভাতা কত বাড়ল গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত আজই শেষ এইচএসসির খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন, জমা পড়েছে ৮ লাখের বেশি নীলফামারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জেলা প্রশাসনের সভা

ঋণের টাকায় গড়া কলাবাগানের ১ হাজার ৪০০ গাছ কেটে ফেলল দুর্বৃত্তরা!

  • Update Time : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৪.৩৫ পিএম
  • ২১ Time View
28

ঋণের টাকায় গড়া কলাবাগানের ১ হাজার ৪০০ গাছ কেটে ফেলল দুর্বৃত্তরা!বগুড়ার শেরপুরে তিন বিঘা জমির কলাবাগান ধ্বংসের অভিযোগ, দুই কৃষকের মাথায় ঋণের বোঝা।

বগুড়ার শেরপুরে ঋণ ও কিস্তির টাকা বিনিয়োগ করে গড়ে তোলা দুই কৃষকের কলাবাগান কেটে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ১ হাজার ৪০০ কলাগাছ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন তাঁরা। তিন বিঘা জমিতে গড়ে তোলা বাগানটির এমন পরিণতিতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দুই কৃষক।

ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের চোমরপাথালিয়া গ্রামে। ৪ নভেম্বর রাতে দুর্বৃত্তরা বাগানের গাছগুলো কেটে ফেলে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। একই দিন বুধবার দুপুরে এ ঘটনায় শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা হলেন চোমরপাথালিয়া বাজার এলাকার আবুল কালাম ফেলুর ছেলে ফরিদ এবং নজরুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান সত্তার। তাঁরা জমি বর্গা নিয়ে তিন বিঘা জমিতে কলার চাষ করেছিলেন। চাষাবাদের খরচ জোগাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে কিস্তিতে টাকা সংগ্রহ করেছিলেন তাঁরা।অভিযোগ অনুযায়ী, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা কলাবাগানে প্রবেশ করে গাছগুলো কেটে দেয়। পরদিন বাগানে গিয়ে ক্ষতির বিষয়টি দেখতে পান কৃষকেরা। তাঁদের দাবি, প্রায় ১ হাজার ৪০০ কলাগাছ কেটে ফেলায় বাগানের অধিকাংশই নষ্ট হয়ে গেছে।দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, পরিচর্যা ও অর্থ বিনিয়োগের পর বাগান থেকে ভালো ফলনের প্রত্যাশা করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু গাছগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেই প্রত্যাশা এখন অনিশ্চয়তায় পরিণত হয়েছে। কৃষকদের আশঙ্কা, বাগানের ক্ষতি সামলানোর পাশাপাশি ঋণ ও কিস্তির টাকা পরিশোধ করাও তাঁদের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতা ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তবে কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নিজেদের ফসল ও বাগানের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।ক্ষতিগ্রস্ত দুই কৃষক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত ব্যক্তিদের বিচার এবং ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2026