
মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি | আজকের জাগরণ
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড়া ইউনিয়নের পূর্বপাড়া বাজার সংলগ্ন কবরস্থানের মাটি ভরাট কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ সাহিদুল ইসলাম মুন্সী।
২৬ মার্চ ২০২৬ খ্রি., বৃহস্পতিবার এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে সঙ্গে নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ সাহিদুল ইসলাম মুন্সী এই উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন করেন। এ সময় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিন ধরে পূর্বপাড়া এলাকায় একটি স্থায়ী ও উপযুক্ত কবরস্থানের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়ে আসছিল। এলাকাবাসীর এই চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেন সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ কাবুল শেখ। তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে এবং তাদের সহযোগিতায় বহু চেষ্টা-প্রচেষ্টার মাধ্যমে কবরস্থানের জন্য জমি ক্রয় করতে সক্ষম হন।
জমি ক্রয়ের পর কবরস্থানটি ব্যবহারের উপযোগী করতে সেখানে মাটি ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এলাকাবাসীর সম্মিলিত সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে অবশেষে কবরস্থানের মাটি ভরাট কাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছে।
উদ্বোধনকালে সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ সাহিদুল ইসলাম মুন্সী বলেন, একটি এলাকার জন্য কবরস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সামাজিক ও ধর্মীয় প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ধরে পূর্বপাড়া এলাকায় একটি নির্দিষ্ট কবরস্থানের অভাব ছিল। এলাকাবাসীর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার মাধ্যমে আজ সেই সমস্যার সমাধানের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দেন।
এ সময় তিনি সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ কাবুল শেখসহ এলাকাবাসীর আন্তরিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং কবরস্থানের উন্নয়ন কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
স্থানীয়রা জানান, পূর্বপাড়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি নির্দিষ্ট কবরস্থানের অভাব দীর্ঘদিনের সমস্যা ছিল। অবশেষে এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগে জমি ক্রয় এবং মাটি ভরাট কাজ শুরু হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও আশাবাদী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় যুবসমাজ এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে মাটি ভরাটের কাজ সম্পন্ন হলে কবরস্থানটি ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে পূর্বপাড়া এলাকার মানুষের দাফন কার্যক্রম আরও সহজ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।