বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জে চাঁদাবাজি ও লাঞ্ছনের প্রতিবাদে শিক্ষকদের মানববন্ধন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড়ায় বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও আলোচনা সভা গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ভিডব্লিউবি উপকারভোগীদের মাঝে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ক ব্যাপক প্রচারণা মধুমতি ব্যাংকের সিএসআর উদ্যোগে শীতার্ত কৃষকদের জন্য ১,০০০ কম্বল প্রদান আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মধুখালীতে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব মানেই চূড়ান্ত সাহস—কঠোর বার্তা মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের শতভাগ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে — গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতার পদত্যাগ ঘোষণা এনসিপির কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, তাঁরই মোটরসাইকেল নিয়ে পালাল দুর্বৃত্তরা

মুকসুদপুর হাসপাতাল পরিষ্কার না হওয়ায় রোগীদের নাকাল অবস্থা, কর্তৃপক্ষ নীরব

  • Update Time : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১.০৮ এএম
  • ২৭২ Time View
মুকসুদপুর হাসপাতাল পরিষ্কার না হওয়ায় রোগীদের নাকাল অবস্থা, কর্তৃপক্ষ নীরব
মুকসুদপুর হাসপাতাল পরিষ্কার না হওয়ায় রোগীদের নাকাল অবস্থা, কর্তৃপক্ষ নীরব
138

বিশেষ প্ৰতিনিধি: আজকের জাগরণ

গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খোলা স্থানে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে খাবারের উচ্ছিষ্ট, মেডিক্যাল বর্জ্য, রক্তমাখা গজ-তুলাসহ নানা পরিত্যক্ত জিনিসপত্র। দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে ১০০ শয্যার এই সরকারি হাসপাতালটি এখন রীতিমতো ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

বিধি অনুযায়ী বর্জ্য শোধনাগার থাকা বাধ্যতামূলক হলেও হাসপাতালটিতে নেই কোনো বর্জ্য শোধনাগার। খোলা স্থানে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে চিকিৎসা বর্জ্য ও নোংরা আবর্জনা। রোগী ও পথচারীরা দুর্গন্ধে নাকাল হলেও নীরব রয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পৌর প্রশাসন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের ভবনের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে ময়লা-আবর্জনা জমে আছে। বাথরুমের ভেতরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ব্যবহৃত ডায়াপার ও অন্যান্য নোংরা জিনিসপত্র। সিঁড়ির উপরে পর্যন্ত পড়ে আছে ডাবের খোসা ও খাবারের প্যাকেট। ফলে হাসপাতালে প্রবেশ করলেই চারদিকে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ।

হাসপাতালের ভবনের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ তলা থেকেও নিয়মিত ফেলা হচ্ছে বিভিন্ন পরিত্যক্ত বস্তু। ভবনের উত্তর পাশের প্রবেশপথেও গড়ে উঠেছে ময়লার স্তূপ। তীব্র দুর্গন্ধে অনেকের বমি পর্যন্ত হয়— এমন অভিযোগ করেছেন রোগীর স্বজনরা।

এই দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে হাসপাতালসংলগ্ন আবাসিক এলাকাগুলোতেও, যা আশপাশের মানুষের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।

উপজেলাসহ আশপাশের প্রায় ৭ লাখ মানুষের একমাত্র সরকারি হাসপাতাল এমন নোংরা পরিবেশে থাকার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা।

প্রতিদিন এই হাসপাতালে ভর্তি থাকেন গড়ে ৭০ থেকে ১০০ জন রোগী, আর বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন প্রায় ৪০০ জন। শয্যাসংকটে অনেক রোগীকেই থাকতে হয় হাসপাতালের মেঝেতে, আর সেখান থেকেই নিতে হয় দুর্গন্ধ ও ময়লার কষ্ট।

রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, “চিকিৎসা নিতে এসে যেন ময়লার ভাগাড়ে ঢুকতে হয়। এটা খুবই কষ্টদায়ক এবং অস্বাস্থ্যকর।”

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2024