রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টেলিটকের মিনিট অফারে আরও মিলছে ২৩ থেকে ২১৪ মিনিটের প্যাকেজ চীনের কাছে সবচেয়ে বেশি ঋণ পাকিস্তানের, বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম ডিসেম্বরের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছানোর নির্দেশ এশিয়ার চার দেশে আলাদা শপিং অ্যাপ চালু করল টিকটক শুধু কূটনীতিতে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হবে না: শামা ওবায়েদ ওমরাহযাত্রার আগে নামাজে ইমামতি করতে গিয়ে ইমামের মৃত্যু ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এখনো শেষ হয়নি: কাটজ ডিসেম্বরের এক দিনের ছুটিতে মিলবে টানা চার দিনের অবকাশ চীনের আপত্তির মধ্যেই তাইওয়ানে আরও তিন এফ-১৬ যুদ্ধবিমান হরমুজ প্রণালীতে বিস্ফোরণে তিন তেলবাহী জাহাজে আগুনের দাবি

চীনের আপত্তির মধ্যেই তাইওয়ানে আরও তিন এফ-১৬ যুদ্ধবিমান

  • Update Time : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৬.৫৪ পিএম
  • ১৪ Time View
23

চীনের তীব্র বিরোধিতার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও তিনটি অত্যাধুনিক এফ-১৬ভি ব্লক ৭০ যুদ্ধবিমান পেয়েছে তাইওয়ান। নতুন এই চালান পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে দেশটির হাতে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা এ ধরনের যুদ্ধবিমানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচটিতে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে যুদ্ধবিমান তিনটি তাইওয়ানের তাইতুং এলাকার চিহহাং বিমানঘাঁটিতে নিরাপদে অবতরণ করে। দেশটির বিমানবাহিনীর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে তাইওয়ানের সংবাদ সংস্থা সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (সিএনএ)।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিমানগুলো গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনায় অবস্থিত লকহিড মার্টিনের উৎপাদনকেন্দ্র থেকে যাত্রা শুরু করে। এর আগে গত মাসে প্রথম চালানে দুটি এফ-১৬ভি ব্লক ৭০ যুদ্ধবিমান পেয়েছিল তাইওয়ান। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত পাঁচটি নতুন যুদ্ধবিমান দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।

২০১৯ সালে প্রায় ৮০০ কোটি ডলারের একটি চুক্তির আওতায় তাইওয়ানের কাছে ৬৬টি এফ-১৬ভি ব্লক ৭০ যুদ্ধবিমান ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তির মাধ্যমে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও আধুনিক করার পরিকল্পনা নেয় তাইপে।

নতুন যুদ্ধবিমান কেনার পাশাপাশি পুরোনো যুদ্ধবিমান আধুনিকায়নের উদ্যোগও নিয়েছে তাইওয়ান। ‘ফিনিক্স রাইজিং’ কর্মসূচির আওতায় লকহিড মার্টিন ও তাইওয়ানের অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন যৌথভাবে দেশটির ১৪০টি পুরোনো এফ-১৬এ/বি যুদ্ধবিমানকে এফ-১৬ভি ব্লক ২০ সংস্করণে উন্নীত করেছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে এ কার্যক্রম শেষ হয়।

তবে তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির বিরোধিতা করে আসছে চীন। নতুন যুদ্ধবিমান সরবরাহের বিষয়েও বেইজিং আপত্তি জানিয়েছে। চীনের অবস্থান, তাইওয়ান তাদের ভূখণ্ডের অংশ এবং এ অঞ্চলে বিদেশি সামরিক সহায়তা উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

অন্যদিকে তাইওয়ানের সরকার নিজেদের স্বশাসন বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। চীনের সামরিক চাপের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নতুন যুদ্ধবিমান পাওয়া তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এ সরবরাহকে ঘিরে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বিদ্যমান মতবিরোধ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র: সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2026