বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নেত্রকোণা মদনে জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ ফলাফলে শীর্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধাপ্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন সমাবেশ গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া মোড়ে চর্তুমুখী সংঘর্ষে নিহত-১ কোটালিপাড়ায় চলছে কৃষিকার্ড বিতরনে নিবন্ধন কর্মসূচি মদনে ৪ উপজেলার আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ‘শেয়ার প্রোফাইল হালনাগাদ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন” কোস্ট গার্ডের ধাওয়ায় ধরা পড়ল সারবোঝাই বোট, আটক ৯ সেরা পাঠাগার সংগঠক সম্মাননা পেলেন সাংবাদিক এমরান আলী রানা ইউএনও, উপজেলা প্রকৌশলী ও নির্বাচন কর্মকর্তার সঙ্গে প্রেসক্লাবের নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ আমতলীতে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন

নয়ামাটি পঞ্চায়েত কমিটির বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়

  • Update Time : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৬.৩২ পিএম
  • ১৫ Time View
নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ
30

​নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন বৃহত্তর নয়ামাটি এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের নামে বাড়ি প্রতি দুই হাজার টাকা করে চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে। ​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ‘বৃহত্তর নয়ামাটি পঞ্চায়েত কমিটি’-এর পক্ষ থেকে এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের কথা বলে একটি নোটিশ বা চিঠি ইস্যু করা হয়।

ওই চিঠিতে এলাকার অপ্রতুল ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পানি নিষ্কাশনে সমস্যার কথা উল্লেখ করে জনদুর্ভোগ নিরসনে এলাকাবাসীর ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা কামনা করা হয়।
​তবে চিঠির ওপরে হাতে লিখে প্রতি বাড়ি থেকে “২০০০/-” (দুই হাজার) টাকা ধার্য করার বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই মূলত অসন্তোষ দানা বেঁধেছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, উন্নয়ন কাজের কথা বলে এভাবে বাড়ি প্রতি জোরপূর্বক টাকা তুলে পঞ্চায়েত কমিটির কিছু সদস্য নিজেদের পকেট ভারী করছেন।

​সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে নেটিজেনরা লিখছেন—​”ড্রেনে পানি জমে না, পানি জমে আমাদের চোখে। ২০০০ টাকা করে বাড়ি প্রতি তুলে কারা পকেট ভারী করছে? নয়ামাটি পঞ্চায়েত কমিটি-কে জবাব দিতে হবে। উন্নয়ন চাই, ধান্দাবাজি না!”

​এলাকাবাসীর দাবি, এলাকার উন্নয়ন কাজ নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত। কিন্তু কোনো ধরনের আলোচনা বা জবাবদিহিতা ছাড়াই এমন অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের নেপথ্যে কী রহস্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত এর সুরাহা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত পঞ্চায়েত কমিটির কোনো সদস্যাবস্থার তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগী এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2026