মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চুরির ঘটনায় নারী আটক, উদ্ধার মোবাইল ও নগদ টাকা গোপালগঞ্জে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নীলফামারী বাইপাস মোড়ের রাস্তা সংস্কার কাজ পরিদর্শনে এমপির প্রতিনিধি দল নীলফামারীতে টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন কুলাউড়ায় মনু নদীতে ভাসমান অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ডিসিআরভুক্ত জমি নিয়ে বিরোধ, অসহায় পরিবারের বসবাস নিশ্চিতের দাবি মুহূর্তেই ছাই ৭টি ঘর, মুকসুদপুর উপজেলার উজানিতে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে উপজেলা প্রশাসন ও বিএনপি দিনাজপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে বাহাদুর বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন গাজীপুরে ৫ মরদেহের পাশে পরকীয়া ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগপত্র উদ্ধার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পোস্টার নিষিদ্ধ, ডিজিটাল প্রচারে জোর ইসির

ডিসিআরভুক্ত জমি নিয়ে বিরোধ, অসহায় পরিবারের বসবাস নিশ্চিতের দাবি

  • Update Time : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭.১১ পিএম
  • ৪৩ Time View
ডিসিআরভুক্ত জমি নিয়ে বিরোধ, অসহায় পরিবারের বসবাস নিশ্চিতের দাবি
ডিসিআরভুক্ত জমি নিয়ে বিরোধ, অসহায় পরিবারের বসবাস নিশ্চিতের দাবি
62

নিজস্ব প্রতিনিধি- আজকের জাগরণ 

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের মধ্যবনগ্রামে ডিসিআরভুক্ত জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা অসহায় একটি পরিবারকে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে।
জানা যায়, মধ্যবনগ্রাম মৌজার ১০১ নং জে.এল-এর ৫৮১ এস.এ খতিয়ানের ২৩৪ নং দাগের ৫১ শতক জমির মধ্যে ২৫ শতক জমি মধ্যবনগ্রামের রতন কারিকরের ছেলে দলিলউদ্দিন কারিকরের নামে রেকর্ড রয়েছে। অপরদিকে, একই দাগের অবশিষ্ট ২৬ শতক জমি একই গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের উপেন্দ্র চন্দ্র কুন্ডু গংদের নামে রেকর্ডভুক্ত ছিল।

পরবর্তীতে বিআরএস রেকর্ডে ২১৫ খতিয়ানের ৪৫০ নং দাগে দলিলউদ্দিন কারিকরের ২৫ শতক জমির মধ্যে ২০ শতক তার দুই ছেলে আব্দুল করিম কারিকর ও আব্দুল হালিম কারিকরের নামে রেকর্ড হয়। বাকি ৫ শতক সরকারি রাস্তার নামে রেকর্ড হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে মধ্যবনগ্রামের সাদন শেখের ছেলে ইসমাইল শেখ উপেন্দ্র চন্দ্র কুন্ডু গংদের রেকর্ডীয় ২৬ শতক জমি বায়নাপত্রের মাধ্যমে ক্রয় করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। সেই অনুযায়ী বিআরএস রেকর্ডে ইসমাইল শেখের নামে ৮ শতক জমি রেকর্ড হয়। বাকি ১২ শতক জমি একই গ্রামের আশরাফ আলী মিয়ার নামে ডিসিআর প্রদান করা হয়।

স্থানীয়দের দাবি, আশরাফ আলী মিয়া কখনো ওই জমি ভোগদখল করেননি। তবে ইসমাইল শেখ তার রেকর্ডীয় জমির সঙ্গে ওই ১২ শতক জমিও দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছিলেন।
২০০৪ সালে ইসমাইল শেখ মারা যাওয়ার পর তার মেজো ছেলে ছিদ্দিক শেখের নামে ভূমি অফিসের মাধ্যমে আশরাফ আলী মিয়ার ডিসিআর হস্তান্তর করা হয়। এরপর থেকে ছিদ্দিক শেখ ও তার পরিবার উক্ত জমি ভোগদখল করে আসছেন বলে জানা গেছে।
কিন্তু গত ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে একই গ্রামের করিম কারিকরের ছেলে আবুল হোসেন কারিকর উক্ত জমির ডিসিআর দাবি করে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি আবেদন দাখিল করেছেন বলে জানা যায়।
এছাড়া কয়েকদিন আগে বাড়ির মধ্যে থাকা একটি পিচফল গাছ ঝড়ে ভেঙে ঘরের ওপর পড়ে গেলে ছিদ্দিক শেখ গাছটি কেটে ফেলেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, গাছটির বাজারমূল্য খুবই সামান্য ছিল। এছাড়া ডিসিআরভুক্ত জায়গা থেকে আরও কিছু গাছ কাটা হয়েছে, যা পূর্বের ডিসিআরপ্রাপ্ত মালিক কেটেছেন বলে এলাকাবাসীর দাবি।
এ বিষয়ে মহারাজপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমারাত হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “১২ শতক জমি মধ্যবনগ্রামের আশরাফ আলী মিয়ার নামে ডিসিআর কাটা ছিল। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ওই জমি একই গ্রামের মো. ছিদ্দিক শেখের নামে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাধ্যমে ডিসিআর করে দেওয়া হয়। বর্তমানে ছিদ্দিক শেখ ওই জমি ভোগদখলে রয়েছেন।”
এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অসহায় ছিদ্দিক শেখ ও তার পরিবার যেন উক্ত জমিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারেন, সে বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2024