
নিজস্ব প্রতিনিধি: আজকের জাগরণ
গোপালগঞ্জ-১ আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাগণের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের আয়োজনে গত ২৩, ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, রোজ রবিবারসহ তিন দিনব্যাপী, প্রতিদিন দুপুরে মুকসুদপুর উপজেলার সরকারি সাবের মিয়া জসিমুদ্দিন (এস,জে) মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
জনাব মোঃ আরিফ-উজ-জামান, সম্মানিত জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, গোপালগঞ্জ এবং রিটার্নিং অফিসার, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬।
মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার জনাব মাহমুদ আশিক কবির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এস. এম. মাহতাব উদ্দিন।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
জনাব মোঃ অলিউল ইসলাম, সম্মানিত জেলা নির্বাচন অফিসার, গোপালগঞ্জ;
জনাব নাফিসুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল), মুকসুদপুর;
জনাব আবদুল্লাহ আল মামুন, অফিসার ইনচার্জ, মুকসুদপুর থানা; এবং জনাব মোঃ নূরু আমীন, উপজেলা নির্বাচন অফিসার, মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি সাবের মিয়া জসিমুদ্দিন (এস,জে) মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল চন্দ্র মন্ডলসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
এছাড়াও কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ছিরু মিয়া, সিনিয়র সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান লেবু, সাধারণ সম্পাদক কাজী মোঃ ওহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরেফিন মুক্তা, দপ্তর সম্পাদক পরেশ বিশ্বাস, ১ নম্বর কার্যকরী সদস্য নূর আলম শেখ, সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক টুটুল মল্লিকসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।
কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাচন অফিসার মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ সেক। প্রশিক্ষণে ভোটগ্রহণ সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, ব্যালট পেপার ব্যবস্থাপনা, ইভিএম/ম্যানুয়াল ভোটিং পদ্ধতি, ফলাফল প্রেরণ ও সার্বিক শৃঙ্খলা বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় মুকসুদপুর উপজেলার মোট ৯৬টি ভোটকেন্দ্রের
১০৫ জন প্রিজাইডিং অফিসার,
৬১১ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার
এবং
১,১১৬ জন পোলিং অফিসার অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ভোটগ্রহণের দিন আরও দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হবেন, যা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করবে।