বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জে চাঁদাবাজি ও লাঞ্ছনের প্রতিবাদে শিক্ষকদের মানববন্ধন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড়ায় বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও আলোচনা সভা গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ভিডব্লিউবি উপকারভোগীদের মাঝে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ক ব্যাপক প্রচারণা মধুমতি ব্যাংকের সিএসআর উদ্যোগে শীতার্ত কৃষকদের জন্য ১,০০০ কম্বল প্রদান আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মধুখালীতে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব মানেই চূড়ান্ত সাহস—কঠোর বার্তা মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের শতভাগ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে — গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতার পদত্যাগ ঘোষণা এনসিপির কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, তাঁরই মোটরসাইকেল নিয়ে পালাল দুর্বৃত্তরা

৪০ হাজার মানুষের স্বপ্ন—স্বেচ্ছাশ্রমে তৈরি হচ্ছে তিস্তার চরের সড়ক

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১২.০৭ এএম
  • ২৫৯ Time View
৪০ হাজার মানুষের স্বপ্ন—স্বেচ্ছাশ্রমে তৈরি হচ্ছে তিস্তার চরের সড়ক
৪০ হাজার মানুষের স্বপ্ন—স্বেচ্ছাশ্রমে তৈরি হচ্ছে তিস্তার চরের সড়ক
330

জহির রায়হান, কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি: আজকের জাগরণ

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার তিস্তার চরে দীর্ঘ ৭ বছর ধরে সড়ক না থাকায় পাকা সেতু নির্মাণ কাজ থমকে ছিল। অবশেষে চরাঞ্চলের আট গ্রামের মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ লাঘবে এলাকাবাসী নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা নির্মাণে নেমেছেন।

বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়—হারাগাছ পৌর এলাকার শাখাঁরীপাড়া সহ আট গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষের যোগাযোগ, চিকিৎসা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নয়নে তিস্তার শাখা নদীতে পাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেতুর দুইপ্রান্তে এপ্রোচ সড়কের জায়গা না থাকায় কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক কামাল হোসেন, রফিকুল ও সুমন বলেন—
“কর দিয়েও আমরা পৌরসভার সুবিধা পাই না। অ্যাম্বুল্যান্স বা ফায়ার সার্ভিস পর্যন্ত আসতে পারে না। বাধ্য হয়ে আমরা নিজের টাকায় এবং শ্রমে রাস্তা বানাচ্ছি। আশা করছি সেতুর কাজ দ্রুত শুরু হবে।”

সাবেক কমিশনার মাহবুবর রহমান জানান—
“পশ্চিমপ্রান্তে রাস্তার জায়গা না থাকায় সেতুর কাজ আটকে ছিল। এখন স্থানীয়রা জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন এবং স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা করছেন। রাস্তা শেষ হলে আট গ্রামের মানুষের ভোগান্তি কমবে।”

হারাগাছ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) হামিদুর রহমান বলেন—
২০১৮–২০১৯ ও ২০২০–২০২১ অর্থবছরের উন্নয়ন তহবিলে ৭৬ মিটার দীর্ঘ পাইল সেতুর কাজ শুরু হয় ২০২০ সালে। দু’দফায় ৫৪ লাখ ৬৯ হাজার ৭৩৩ টাকার বাজেটে নির্মাণ কাজ এগোলেও পশ্চিমাংশে রাস্তা না থাকায় তা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। তিনি বলেন—
“স্থানীয়রা এখন সড়ক বানাচ্ছেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে অসমাপ্ত সেতুর কাজ দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2024