বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জে চাঁদাবাজি ও লাঞ্ছনের প্রতিবাদে শিক্ষকদের মানববন্ধন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড়ায় বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও আলোচনা সভা গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ভিডব্লিউবি উপকারভোগীদের মাঝে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ক ব্যাপক প্রচারণা মধুমতি ব্যাংকের সিএসআর উদ্যোগে শীতার্ত কৃষকদের জন্য ১,০০০ কম্বল প্রদান আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মধুখালীতে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব মানেই চূড়ান্ত সাহস—কঠোর বার্তা মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের শতভাগ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে — গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতার পদত্যাগ ঘোষণা এনসিপির কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, তাঁরই মোটরসাইকেল নিয়ে পালাল দুর্বৃত্তরা

দিনরাত দেশের জন্য, তবু অবহেলিত সৈনিক!

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫, ৭.৫২ পিএম
  • ৪৭৭ Time View
দিনরাত দেশের জন্য, তবু অবহেলিত সৈনিক!
দিনরাত দেশের জন্য, তবু অবহেলিত সৈনিক!
534

নিজস্ব প্রতিবেদক | আজকের জাগরণ

বর্তমানে বাংলাদেশের সেনা, নৌ, বিমান, পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য বাহিনীতে প্রায় ৮০% সদস্যই সৈনিক।
তাদের পদমর্যাদা ১৭তম গ্রেডে, বেসিক বেতন মাত্র ৯,০০০ টাকা।
অন্যদিকে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে, বেসিক বেতন ১১,০০০ টাকা পান। অথচ ২০০৪ সালে শিক্ষক ও সৈনিক—দুজনেই ১৭তম গ্রেডে সমান বেতনভোগী ছিলেন।

শিক্ষকদের সাপ্তাহিক ডিউটি ৫ দিন, দৈনিক ৭ ঘণ্টা। সরকারি ছুটি, ঈদ-পূজা ও বিভিন্ন দিবসে তারা ছুটি উপভোগ করতে পারেন। অধিকাংশ শিক্ষকের পোস্টিং নিজ এলাকার কাছাকাছি হওয়ায় পরিবার ও পেশা দুটোই সহজে সামলানো সম্ভব হয়। অনেকেই প্রাইভেট পড়িয়ে অতিরিক্ত আয় করেন। তারপরও অনেকে আর্থিক সংকটে ভোগেন—যা এক বাস্তব চিত্র।

অন্যদিকে, সৈনিকদের জীবনে নেই নিয়মিত ছুটি, নেই নির্দিষ্ট সময়ের নিশ্চয়তা।
তাদের ডিউটি সপ্তাহে ৭ দিনই, দিনে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা বা তারও বেশি।
পিটি, প্যারেড, ওয়ার্কিং, ফেটিগ, রোলকল—এসব তো আছেই; তার সঙ্গে হরতাল, অবরোধ, দুর্যোগ, শত্রুর আক্রমণ কিংবা জাতীয় সংকট—সব সময়ই তারা সামনের সারিতে।

অনেক সৈনিক দুই মাসেও ছুটি পান না, কেউ কেউ ছুটি না পেয়ে মানসিক চাপে আত্মহত্যার পথও বেছে নেন।
তবু তারা কোনোদিন আন্দোলনে নামতে পারেন না, বেতন বৃদ্ধির দাবিও তুলতে পারেন না।

একসময় শিক্ষক ও সৈনিকের বেতন ছিল সমান। এখন শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেড পেয়ে ১০ম গ্রেডের দাবি তুলছেন, অথচ সৈনিকরা এখনও ১৭তম গ্রেডেই পড়ে আছেন।

অনেকে বলেন, সৈনিকদের যোগ্যতা নাকি কম—কিন্তু বাস্তবতা হলো, আজকের ৯০% সৈনিকই ডিগ্রি বা অনার্স পাস কিংবা অধ্যয়নরত।

আমরা শিক্ষকদের উন্নতির বিরোধী নই। কিন্তু চাই ন্যায়বিচার—ইনসাফ।
যে পেশা দিনরাত পরিশ্রম করেও একই স্থানে পড়ে থাকে, আর অন্য কেউ ক্রমেই সুবিধাভোগী হয়—এটা কোনোভাবেই ন্যায্য নয়।

শিক্ষক যদি হয় মানুষ গড়ার কারিগর, সৈনিক তাহলে দেশ রক্ষার কারিগর।
দুই কারিগরই দেশের সম্পদ—তাদের প্রাপ্য মর্যাদা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2024