শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুকসুদপুরে বিনিয়োগ ও ব্যবসার নতুন সম্ভাবনা নিয়ে ইউনিটি গ্রুপের সম্মেলন গোপালগঞ্জে বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস পালিত, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজা উদযাপনে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রস্তুতিমূলক সভা গোপালগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে প্রেস কনফারেন্স গোপালগঞ্জে র‍্যালি ও আলোচনা সভায় উদযাপিত জাতীয় কন্যাশিশু দিবস গরুর মাংসের কেজি ২৫০ টাকা করার দাবি, সরকারকে আইনি নোটিশ গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান খান্দারপাড়া ইউপির সভায় গোপালগঞ্জে শিশু-কিশোর ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ গোপালগঞ্জে উপাচার্য বললেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে প্রান্তিক মানুষই বড় ভরসা নীলফামারীতে বিশ্ব শিশু সপ্তাহ আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

সিরিয়ার নতুন মন্ত্রীসভা কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক হলো

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫, ৯.০১ পিএম
  • ৮০০ Time View
303

গত সপ্তাহে সিরিয়ায় নতুন অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী পাঁচ বছরের জন্য ২৩ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেছে। রাজধানী দামেস্কে এক অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বলেন, ‘আমরা আমাদের জাতীয় যাত্রায় একটি নতুন পর্যায়ের সাক্ষী হতে যাচ্ছি এবং আজকের নতুন সরকার গঠন আমাদের নতুন রাষ্ট্র গঠনের সম্মিলিত ইচ্ছার ঘোষণা।’

তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই মন্ত্রিসভা কতটা কার্যকর হবে, তা সময়ই বলে দেবে এবং অনেকে এটাও মনে করছেন, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রায় সবাই প্রযুক্তিবিদ।

আন্তর্জাতিক সমকক্ষদের তুলনায় অনেক বেশি যোগ্যতাসম্পন্ন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জনবল।

 

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নতুন মন্ত্রিসভায় যদি বিগত সময়ের মতো ধর্মীয় ব্যক্তি ও সাবেক যোদ্ধাদের প্রাধান্য থাকে, তাহলে উদ্বেগের বিষয় হবে। যা নির্দেশ করে, এইচটিএস তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চাইছে। যদি মন্ত্রিসভায় সিরিয়ার বিভিন্ন সম্প্রদায়, জাতি ও ধর্মের মানুষের মিশ্রণ থাকে, তাহলে সেটা ইতিবাচক হতে পারে।

এইচটিএস গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলো, যেমন পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, বিচার ও স্বরাষ্ট্র তাদের দখলে রেখেছে। অন্যদিকে প্রায় অর্ধেক মন্ত্রী এইচটিএসের সঙ্গে যুক্ত নন এবং তারা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করেন।

সিরিয়ার সংবাদমাধ্যম সিরিয়া টিভি নতুন মন্ত্রিসভার সঙ্গে আসাদ পরিবারের শাসনামলের তুলনা করেছে। যেখানে কুর্দি মন্ত্রীর সংখ্যা বেড়ে শূন্য থেকে দুজন হয়েছে।

তবে লক্ষণীয় বিষয়, আসাদ প্রশাসনের মতো সুন্নি মুসলিম মন্ত্রীদের সংখ্যাই বেশি নতুন মন্ত্রিসভায়। যদিও কিছু নতুন পদ তৈরি করা হয়েছে, পাশাপাশি কিছু পুরনো পদকে একীভূত করা হয়েছে।

 

নতুন অর্থনীতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নিদাল আল-শায়ার একজন অর্থনীতি অধ্যাপক ছিলেন। তিনি সিরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতা করেছেন। অন্যদিকে নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুসাব আল-আলী একজন নিউরোসার্জন এবং তিনি ২০১৪ সালে জার্মানিতে যান ও সিরীয়দের জন্য কাজ করেন।

এইচটিএস আগের বিতর্কিত বিচারমন্ত্রীকেও সরিয়ে দিয়েছে, যিনি ইদলিবে কথিতভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তদারকি করতেন।

 

এ ছাড়া অটোনোমাস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব নর্থ অ্যান্ড ইস্ট সিরিয়া বা মার্কিন সমর্থিত কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) কোনো সদস্য মন্ত্রিসভায় নেই। যদিও শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন সিরিয়ান কুর্দি মোহাম্মদ তেরকো।

অটোনোমাস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব নর্থ অ্যান্ড ইস্ট সিরিয়া একটি বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে, নতুন মন্ত্রিসভা ‘সিরিয়ার বৈচিত্র্য বিবেচনায় নিতে ব্যর্থ হয়েছে, শুধু একটি দলের নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে এবং সিরিয়ার জনগণের জন্য ন্যায্য ও প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পারেনি।’

সিরিয়ার কুর্দি ও অন্যান্য সিরীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে পার্থক্য নতুন নয়। তবে যুদ্ধের সময় বিষয়টি গভীর হয়েছে। আল-শারা ও এসডিএফের মধ্যে একটি সাম্প্রতিক চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও এখনো উভয় দল সমাধানে আসতে পারেনি।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2026