শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুকসুদপুরে বিনিয়োগ ও ব্যবসার নতুন সম্ভাবনা নিয়ে ইউনিটি গ্রুপের সম্মেলন গোপালগঞ্জে বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস পালিত, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজা উদযাপনে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রস্তুতিমূলক সভা গোপালগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে প্রেস কনফারেন্স গোপালগঞ্জে র‍্যালি ও আলোচনা সভায় উদযাপিত জাতীয় কন্যাশিশু দিবস গরুর মাংসের কেজি ২৫০ টাকা করার দাবি, সরকারকে আইনি নোটিশ গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান খান্দারপাড়া ইউপির সভায় গোপালগঞ্জে শিশু-কিশোর ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ গোপালগঞ্জে উপাচার্য বললেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে প্রান্তিক মানুষই বড় ভরসা নীলফামারীতে বিশ্ব শিশু সপ্তাহ আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

মিথ্যা মামলায় ঈদ কেটেছিল হাজতে, তিন বছর পর সেই স্মৃতি তুলে ধরলেন মুকসুদপুর উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি হাবিবুর রহমান রহিন

  • Update Time : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ১২.৪২ এএম
  • ১৮৪ Time View
266

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রহমান রহিন ২০২৩ সালের ঈদুল আজহার আগের দিন গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনার স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার কারণে তিনি পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারেননি এবং ঈদের দিন কাটাতে হয়েছিল থানার হাজতে।

সম্প্রতি নিজের স্মৃতিচারণে রহিন জানান, ২০২৩ সালের পবিত্র ঈদুল আজহার আগের দিন তিনি পরিবারের সঙ্গে ঈদের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কুরবানির জন্য নিজেই হাট থেকে একটি গরু কিনে আনেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আনন্দমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপনের পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেই আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়।

রহিনের দাবি, ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ব্যানার টাঙানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। এরপর কুরবানির আগের রাতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে গ্রেপ্তার করে মুকসুদপুর থানায় নিয়ে যান।

তিনি বলেন, “যে ঈদ পরিবারের সঙ্গে আনন্দে কাটানোর কথা ছিল, সেই ঈদের দিন আমাকে থানার অন্ধকার হাজতখানায় কাটাতে হয়েছে। আমার পরিবারের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত কষ্টের সময়।”

রহিন জানান, তাঁর অনুপস্থিতিতে পরিবারের পক্ষ থেকে কুরবানি দেওয়া সম্ভব হয়নি। যে গরুটি তিনি নিজ হাতে কিনে এনেছিলেন, সেটি বাড়িতেই বাঁধা ছিল। পরিবারের সদস্যরা ঈদের আনন্দ উপভোগ না করে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও কান্নার মধ্যে দিনটি অতিবাহিত করেন।

তিনি আরও বলেন, “একটি পরিবারের ঈদের আনন্দ কেড়ে নেওয়ার সেই স্মৃতি আজও আমাকে কষ্ট দেয়। তবে আমি বিশ্বাস করি, সত্য ও ন্যায়কে দীর্ঘদিন দমিয়ে রাখা যায় না।”

রহিনের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর গ্রেপ্তারের পর গোপালগঞ্জ-১ আসনের রাজনৈতিক নেতা সেলিম উজ্জামান সেলিম তাঁর পাশে দাঁড়ান এবং প্রয়োজনীয় আইনি ও সাংগঠনিক সহযোগিতা করেন। তাঁর সহযোগিতায় অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি কারামুক্ত হন।

মুক্তির পর রহিন আবারও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হন। তিনি বলেন, এই ঘটনা তাঁর মনোবল ভেঙে দিতে পারেনি; বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আরও দৃঢ়ভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “মানুষকে সাময়িকভাবে বন্দি করা সম্ভব হলেও সত্য, ন্যায় ও আদর্শের পথচলাকে কখনো থামিয়ে রাখা যায় না।”

শেষে তিনি সেই কঠিন সময়ে যাঁরা তাঁর ও তাঁর পরিবারের পাশে ছিলেন, তাঁদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষভাবে সেলিম উজ্জামান সেলিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রহিন বলেন, কঠিন সময়ে তাঁর সহযোগিতা ও সাহসিকতা তিনি আজীবন স্মরণ

রাখবেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2026