
নিজস্ব প্রতিনিধি – আজকের জাগরণ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের মজুদ পরীক্ষা করা হয়েছে। জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে কিনা এবং সাধারণ মানুষ নির্ধারিত মূল্যে তেল পাচ্ছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পরিদর্শনে দেখা গেছে, উপজেলার ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে এবং জনগণের জ্বালানি তেল প্রাপ্তিতে কোনো ধরনের ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়নি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ আবুল হাছনাতের নেতৃত্বে আজ সোমবার (৯ মার্চ ২০২৬) এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে জ্বালানি তেলের মজুদ, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং বিক্রয় কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। পাশাপাশি নির্ধারিত দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হয়।
পরিদর্শনকালে ফিলিং স্টেশন মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তারা জানান, জ্বালানি তেলের বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। কোনো ধরনের অবৈধ মজুদ বা অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করা হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে মুকসুদপুর উপজেলায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে তেল সংগ্রহ করতে পারছেন। কোথাও কোনো ধরনের সংকট বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতির খবর পাওয়া যায়নি। বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালানো হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফিলিং স্টেশনগুলোতে স্বাভাবিকভাবেই জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে এবং অতিরিক্ত ভিড় বা সংকটের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে তারা মনে করেন।
উপজেলা প্রশাসন আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও জ্বালানি তেলের বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।