
স্টাফ রিপোর্টার: আজকের জাগরণ
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন— জামাল মৃধা (২২), আমিনুল ইসলাম (৩৭), জুয়েল (৩৩), নয়ন (১৭), লিমা জাহান (২৫), শাহজালাল (২০), সুজন (২৬), শহিদুল বেপারী (২৭), হাফেজ আনিসুর রহমান (৫৫), আমিনুল মাতব্বর (৩০), সোহাগ (৩০), সাইফুল (৪০), জিসান (২৫), সজিব (১৭), রোজিনা বেগম (৩০), দেলোয়ার গাজী (৫৮) সহ আরও অনেকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণার সময় জামায়াতের কর্মীদের বিএনপির সমর্থকরা টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগে হেনস্থা করেন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা বাড়তে থাকলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটাসহ সংঘর্ষ হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার পর জামায়াতের সমর্থকরা বাউফল থানার সামনে অবস্থান নিয়ে ওসি প্রত্যাহার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, চন্দ্রদ্বীপে বিএনপির সমর্থকদের হামলায় অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ আহত হয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ওসি প্রত্যাহার ও আসামিদের গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জামায়াতের দাবি আংশিক মিথ্যা। বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ জানান, জামায়াতের হামলায় বিএনপির তিনজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, তিনি “একটু ঝামেলার মধ্যে আছি” এবং পরে যোগাযোগ করার অনুরোধ করেন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানা এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং জামায়াতের অবস্থান চলছিল।