
প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড বা সুবর্ণ নাগরিক কার্ডের তথ্য, ভাতার আবেদন এবং ভাতার টাকা পাওয়ার অবস্থা—এগুলো এক বিষয় নয়। তাই অনলাইনে খোঁজ করার আগে কোন তথ্যটি দেখতে চান, তা বোঝা জরুরি। সরকারি ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পরিচয়পত্রের জন্য রয়েছে প্রতিবন্ধিতা তথ্য সিস্টেম (DIS), আর প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন ও উপকারভোগীসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয় সমাজসেবা অধিদপ্তরের নির্ধারিত ভাতা পোর্টালের মাধ্যমে।
প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড ও আবেদন স্ট্যাটাস চেক করার সরকারি ওয়েবসাইট
প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পরিচয়পত্র বা সুবর্ণ নাগরিক কার্ডের আবেদন এবং প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন আলাদা সরকারি সেবার আওতায় পড়ে। তাই একটি ওয়েবসাইটে সব তথ্য পাওয়া যাবে—এমন ধারণা ঠিক নয়।
কী জানতে চান
সরকারি ওয়েবসাইট
প্রতিবন্ধিতার পরিচয়পত্রের আবেদন ও নিবন্ধন
dis.gov.bd
প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন
dss.bhata.gov.bd/online-application
ভাতার আবেদনের অগ্রগতি বা ট্র্যাকিং
dss.bhata.gov.bd/application-tracking
সমাজসেবা অধিদপ্তরের ভাতা পোর্টালে আলাদা Application Tracking পেজ রয়েছে। তবে সেখানে কী কী তথ্য দিয়ে অনুসন্ধান করতে হবে, তা পোর্টালের বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী পূরণ করতে হবে।
প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন স্ট্যাটাস চেক করবেন যেভাবে
যারা প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন, তারা আবেদনের অগ্রগতি জানতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের নির্ধারিত ট্র্যাকিং পেজ ব্যবহার করতে পারেন।
প্রথমে মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা আবেদন ট্র্যাকিং পেজে প্রবেশ করুন। পেজটি চালু হলে সেখানে প্রদর্শিত নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিন। এরপর অনুসন্ধান বা ট্র্যাকিংয়ের অপশন ব্যবহার করে আবেদনসংক্রান্ত তথ্য দেখুন।
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে সমস্যা হলে ইন্টারনেট সংযোগ পরীক্ষা করে আবার চেষ্টা করুন। পোর্টালটি ঠিকভাবে কাজ না করলে কিছুক্ষণ পর পুনরায় চেষ্টা করতে পারেন অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।
মনে রাখবেন: আবেদন জমা দেওয়া মানেই ভাতা অনুমোদন হওয়া নয়। আবেদন যাচাই-বাছাই, যোগ্যতা নির্ধারণ, বরাদ্দ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর চূড়ান্তভাবে উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়।
প্রতিবন্ধী সুবর্ণ নাগরিক কার্ডের তথ্য জানবেন যেভাবে
প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পরিচয়পত্র বা সুবর্ণ নাগরিক কার্ডের নিবন্ধনসংক্রান্ত কাজের জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিবন্ধিতা তথ্য সিস্টেম (Disability Information System বা DIS) ব্যবহার করা হয়।
এ জন্য প্রতিবন্ধিতা তথ্য সিস্টেমের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে প্রতিবন্ধিতার পরিচয়পত্রের আবেদনসংক্রান্ত নির্দেশনা ও অনলাইন ফরম পাওয়া যায়।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করতে আবেদনকারীর বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন থাকতে হবে। আবেদনকারীর বৈধ মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানাও প্রয়োজন। অনলাইন ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে আবেদন জমা দিতে হয়।
আবেদন জমা দেওয়ার পর সেটি সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এরপর ওই কার্যালয়ের দেওয়া সময় অনুযায়ী চিকিৎসকের পরীক্ষার জন্য উপস্থিত হতে হয়। পরীক্ষার সময় অনলাইন আবেদনের পর পাওয়া প্রিন্ট করা কপি সঙ্গে রাখতে হবে। পরিচয়পত্র প্রস্তুত হলে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কার্যালয় থেকে এসএমএস পাওয়ার পর সেটি সংগ্রহ করতে হবে।
প্রতিবন্ধী ভাতার নতুন আবেদন করবেন যেভাবে
যারা এখনো প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদন করেননি, তারা সমাজসেবা অধিদপ্তরের নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রতিবন্ধী ভাতা ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তির অনলাইন আবেদন গ্রহণের সময়সীমা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলে ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) জানিয়েছে।
আবেদনের জন্য প্রথমে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অনলাইন আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট ভাতা কর্মসূচি নির্বাচন করে নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য, ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য পূরণ করতে হবে।
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের আবেদনসংক্রান্ত নির্দেশনায় আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানার ভিত্তিতে আবেদন করার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদনকারীর সুবর্ণ নাগরিক কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধিত সচল মোবাইল নম্বর অথবা নিজের ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে হবে। ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিলে যোগাযোগের জন্য সচল মোবাইল নম্বরও উল্লেখ করতে হবে।
আবেদন জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করা উচিত। নাম, জন্মতারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ঠিকানা কিংবা মোবাইল নম্বরে ভুল থাকলে পরবর্তী যাচাই-বাছাইয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন করতে কী কী প্রয়োজন?
প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন করার আগে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা ভালো। সাধারণভাবে আবেদনকারীর পরিচয়, প্রতিবন্ধিতার নিবন্ধন এবং আর্থিক সহায়তা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হয়।
প্রয়োজনীয় তথ্যের মধ্যে রয়েছে—
আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধনের তথ্য।
সুবর্ণ নাগরিক কার্ড বা প্রতিবন্ধিতার পরিচয়পত্র।
আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানার তথ্য।
জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধিত সচল মোবাইল নম্বর।
নিজের ব্যাংক হিসাবের তথ্য, যদি ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করতে চান।
আবেদনকারীর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্য।
কোনো নির্দিষ্ট কাগজপত্রের অতিরিক্ত কপি বা অন্য তথ্য প্রয়োজন হলে অনলাইন পোর্টালের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের পরামর্শ অনুসরণ করতে হবে।
সুবর্ণ নাগরিক কার্ড থাকলেই কি প্রতিবন্ধী ভাতা পাওয়া যায়?
না। সুবর্ণ নাগরিক কার্ড প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পরিচয় ও নিবন্ধনসংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি। কিন্তু শুধু এই কার্ড থাকলেই প্রতিবন্ধী ভাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাওয়া যায় না।
ভাতা পাওয়ার জন্য নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করতে হয়। এরপর আবেদনকারীর তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয় এবং সরকারি নীতিমালা, যোগ্যতা ও বরাদ্দের ভিত্তিতে উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের আবেদনসংক্রান্ত নির্দেশনায়ও চূড়ান্ত তালিকা যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের মাধ্যমে নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
তাই সুবর্ণ নাগরিক কার্ড থাকা সত্ত্বেও কারও ভাতার আবেদন অপেক্ষমাণ থাকতে পারে, আবার যাচাই-বাছাই শেষে আবেদন অনুমোদিত নাও হতে পারে।
প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা পেয়েছেন কি না জানবেন যেভাবে
প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন অনুমোদিত হওয়ার পর ভাতার অর্থ নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপকারভোগীর কাছে পাঠানো হয়। আবেদন করার সময় দেওয়া মোবাইল নম্বর বা ব্যাংক হিসাবের তথ্য সঠিক থাকা জরুরি।
ভাতার টাকা এসেছে কি না জানতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বিবরণী অথবা নির্ধারিত আর্থিক সেবার মাধ্যমে ব্যালেন্স ও লেনদেন যাচাই করতে পারেন। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল অ্যাপ বা নির্ধারিত পদ্ধতি ব্যবহার করুন।
টাকা না এলে প্রথমে আবেদন অনুমোদিত হয়েছে কি না এবং উপকারভোগীর তালিকায় নাম রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। এরপরও সমস্যা থাকলে উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে।
অনলাইনে প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড বা আবেদন খুঁজে না পেলে কী করবেন?
অনেক সময় অনলাইনে আবেদন করার পরও আবেদনকারীর তথ্য দেখা যায় না। এর পেছনে কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। যেমন, আবেদন এখনো যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে, তথ্য হালনাগাদ হতে সময় লাগছে, আবেদনপত্রে ভুল রয়েছে অথবা পোর্টালে সাময়িক কারিগরি সমস্যা হচ্ছে।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে একই তথ্য দিয়ে বারবার নতুন আবেদন না করে প্রথমে আবেদন ট্র্যাকিং পেজে চেষ্টা করুন। প্রয়োজন হলে আবেদন জমা দেওয়ার সময় পাওয়া তথ্য বা প্রিন্ট করা কপি নিয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।
প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্রের আবেদনসংক্রান্ত সমস্যা হলে DIS পোর্টালের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। কারণ পরিচয়পত্রের আবেদন, চিকিৎসা পরীক্ষা এবং কার্ড সংগ্রহের বিষয়গুলো ওই কার্যালয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
প্রতিবন্ধী ভাতা নিয়ে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকুন
সরকারি ভাতার আবেদন, কার্ড বা টাকা পাওয়ার কথা বলে কেউ অর্থ দাবি করলে সতর্ক থাকুন। অচেনা ব্যক্তি বা অননুমোদিত ওয়েবসাইটে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, ব্যাংক হিসাবের গোপন তথ্য, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পিন বা ওটিপি দেওয়া উচিত নয়।
বিশেষ করে ভাতা অনুমোদন করিয়ে দেওয়া, তালিকায় নাম তুলে দেওয়া কিংবা দ্রুত টাকা ছাড় করিয়ে দেওয়ার নামে কোনো ব্যক্তি টাকা চাইলে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কার্যালয়ে যাচাই করুন। সরকারি ওয়েবসাইটের ঠিকানা নিজে ব্রাউজারে লিখে প্রবেশ করাই নিরাপদ।
প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড চেক নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড চেক করার ওয়েবসাইট কোনটি?
প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পরিচয়পত্র বা সুবর্ণ নাগরিক কার্ডের আবেদনসংক্রান্ত তথ্যের জন্য dis.gov.bd ব্যবহার করতে পারেন। আর প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন ট্র্যাকিংয়ের জন্য dss.bhata.gov.bd/application-tracking পেজ রয়েছে।
সুবর্ণ নাগরিক কার্ডের আবেদন কোথায় করতে হয়?
সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিবন্ধিতা তথ্য সিস্টেমের অনলাইন আবেদন পেজে গিয়ে আবেদনসংক্রান্ত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন কোথায় করতে হয়?
সমাজসেবা অধিদপ্তরের নির্ধারিত অনলাইন আবেদন পোর্টালে আবেদন করতে হয়।
প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন জমা দিলেই কি টাকা পাওয়া যায়?
না। আবেদন জমা দেওয়ার পর যাচাই-বাছাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের মাধ্যমে চূড়ান্ত উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়।
সুবর্ণ নাগরিক কার্ড না থাকলে কি প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন করা যাবে?
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের আবেদনসংক্রান্ত নির্দেশনায় প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদনকারীর সুবর্ণ নাগরিক কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক বলা হয়েছে। তাই আবেদন করার আগে পরিচয়পত্র সংগ্রহের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন অনুমোদিত হয়েছে কি না কীভাবে জানব?
সমাজসেবা অধিদপ্তরের Application Tracking পেজে গিয়ে পোর্টালের নির্দেশনা অনুসরণ করে আবেদনসংক্রান্ত তথ্য খুঁজতে পারেন। অনলাইনে তথ্য না পেলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।
শেষ কথা
প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড, সুবর্ণ নাগরিক কার্ড এবং ভাতার আবেদনসংক্রান্ত তথ্য জানতে সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ। পরিচয়পত্রের জন্য প্রতিবন্ধিতা তথ্য সিস্টেম এবং ভাতার আবেদন ও অগ্রগতি জানার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের নির্ধারিত পোর্টাল ব্যবহার করতে হবে। আবেদন করার আগে তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন এবং আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করে অগ্রগতি জেনে নিন।
সম্পাদক : নূর আলম শেখ
ঠিকানা: ফরিদ মিয়া কমপ্লেক্স, মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ।
ইমেইল : ajkerjagaran@gmail.com
news@ajkerjagaran.com
Copyright © 2026 আজকের জাগরণ All rights reserved.