রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে পুলিশ কনস্টেবল পদে ৩৩ জন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত গরমে পুড়ছে তেলঙ্গানা, তাপপ্রবাহে ১৬ জনের মৃত্যু  ঈদুল আযহা উপলক্ষে খান্দারপাড়া ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দোয়া ও সমর্থন চাইলেন মোঃ ইমামুল মল্লিক আসন্ন ইউপি নির্বাচনে দোয়া ও সমর্থন চাইলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ সাহিদুল ইসলাম মুন্সী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে দোয়া ও সমর্থন চাইলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ সোহেল রানা মোল্লা মুকসুদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল তরুণের দিনাজপুর পৌর বিএনপির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত ত্রিপুরার কমলপুরে বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু  মুকসুদপুরে আওয়ামীলীগ নেতা মজিবুল হক বাদল দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করে সংবাদ সম্মেলন উত্তরাখন্ডের নৈনিতালে গভীর খাদে পড়ল গাড়ি, নিহত ৫

মুকসুদপুরে জমি দলিলের দাগ ভুলকে কেন্দ্র করে জাল দলিল ও প্রতারণার অভিযোগ, আদালতে দলিল সংশোধনের মামলা দায়ের

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১.৩৩ এএম
  • ১০৯ Time View
মুকসুদপুরে জমি দলিলের দাগ ভুলকে কেন্দ্র করে জাল দলিল ও প্রতারণার অভিযোগ, আদালতে দলিল সংশোধনের মামলা দায়ের
মুকসুদপুরে জমি দলিলের দাগ ভুলকে কেন্দ্র করে জাল দলিল ও প্রতারণার অভিযোগ, আদালতে দলিল সংশোধনের মামলা দায়ের
144

মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা এর বহুগ্রাম ইউনিয়ন-এর অন্তর্গত দুর্বাসুর গ্রাম এলাকায় জমি দলিলের দাগ নম্বর সংক্রান্ত ভুলকে কেন্দ্র করে জাল দলিল তৈরি ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালে প্রভাষ মণ্ডল, পিতা: মৃত গুরুবর মণ্ডল, তার ভাই ফেলান চন্দ্র মণ্ডলের নিকট একটি জমি দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে হস্তান্তর করেন। উক্ত দলিলের দলিল নম্বর ছিল ২৩৩৮/০৪। দলিল সম্পাদনের সময় ৩৬ নং দুর্বাসুর মৌজার ৪১০ নং খতিয়ানের অধীন আরএস দাগ ১১৫ এবং বিআরএস দাগ ১৭০-এর পরিবর্তে ভুলবশত ১৭৫ দাগ উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে জানা যায়, খতিয়ানে ১৭৫ নম্বর দাগটি বাস্তবে বিদ্যমান নয়।

এই দীর্ঘদিনের দলিলগত ভুল ও রেকর্ড অসঙ্গতিকে কাজে লাগিয়ে একই এলাকার গণেশ মণ্ডল (অভিযোগ অনুযায়ী) একটি জাল দলিল তৈরি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, তিনি ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই জমি পুনরায় অন্য এক ব্যক্তির নিকট বিক্রয় করেন এবং এ প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত অর্থ আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রভাষ মণ্ডল ও তার পরিবারের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও বিরোধের সৃষ্টি হয়। একই জমি ও দাগ সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

পরবর্তীতে জমির দাগ সংশোধন এবং জালিয়াতির মাধ্যমে সংঘটিত প্রতারণার প্রতিকার চেয়ে প্রভাষ মণ্ডল বিজ্ঞ সিভিল জজ আদালতে দলিল সংশোধনের জন্য মামলা দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।

তিনি দাবি করেছেন, দলিলের ভুল সংশোধনের পাশাপাশি জাল দলিল তৈরি ও অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, জমি রেকর্ড ও দলিল যাচাই-বাছাই আরও কঠোরভাবে করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের জালিয়াতি ও বিভ্রান্তি এড়ানো যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

fd43f8d18c7312b2a8b90a5edc5903e9
© All rights reserved © 2024